পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়ার তালিকা-২০২৬
বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের সাথে রাজধানী ঢাকার যোগাযোগে যে ট্রেনটির নাম সবার আগে মনে আসে, সেটি হলো পদ্মা এক্সপ্রেস। ঢাকা থেকে রাজশাহী এবং রাজশাহী থেকে ঢাকা — এই দুই গন্তব্যের মধ্যে দ্রুত, নিরাপদ ও আরামদায়ক যাত্রার জন্য পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেন লক্ষ লক্ষ যাত্রীর প্রথম পছন্দ। আপনি যদি এই ট্রেনে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এবং পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়ার তালিকা ২০২৬ সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য জানতে চান, তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্যই।
এই পোস্টে আমরা পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনের সর্বশেষ সময়সূচী, স্টপেজ স্টেশন তালিকা, শ্রেণিভিত্তিক ভাড়ার তালিকা, অনলাইনে টিকিট কাটার নিয়ম, ছুটির দিন এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিস্তারিতভাবে তুলে ধরবো।
📋 টেবিল অব কন্টেন্ট
- পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনের পরিচিতি
- ঢাকা থেকে রাজশাহী — সময়সূচী ও স্টপেজ
- রাজশাহী থেকে ঢাকা — সময়সূচী ও স্টপেজ
- শ্রেণিভিত্তিক ভাড়ার তালিকা
- স্টেশনভিত্তিক ভাড়ার তালিকা
- ছুটির দিন ও বিশেষ তথ্য
- টিকিট বুকিং পদ্ধতি
- ট্রেনের সুযোগ-সুবিধা
- ভ্রমণকারীদের জন্য টিপস
- প্রায় জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
- সম্পর্কিত পোস্ট
- ডিসক্লেমার
১. পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনের পরিচিতি
পদ্মা এক্সপ্রেস (ট্রেন নং ৭৫৯/৭৬০) বাংলাদেশ রেলওয়ের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় আন্তঃনগর ট্রেন, যা ২০০৬ সালের ১ নভেম্বর থেকে যাত্রা শুরু করেছে। রাজশাহী অঞ্চলের প্রধান নদী পদ্মার নামানুসারে এই ট্রেনটির নামকরণ করা হয়েছে। ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত প্রায় ৩৪৭ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে এই ট্রেনটি।
বর্তমানে ট্রেনটি চীন থেকে আমদানিকৃত আধুনিক CRRC কোচ দিয়ে চলাচল করছে, যা এটিকে বিলাসবহুল ও আরামদায়ক করে তুলেছে। এটি ব্রডগেজ লাইনে চলে এবং বনলতা এক্সপ্রেস, সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ও ধূমকেতু এক্সপ্রেসের সাথে রেক ভাগ করে নেয়।
২. ঢাকা থেকে রাজশাহী — সময়সূচী ও স্টপেজ (ট্রেন নং ৭৫৯)
পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেন নং ৭৫৯ প্রতিদিন রাত ১০:৪৫ মিনিটে ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে রাজশাহীর উদ্দেশে রওনা হয় এবং পরদিন ভোর আনুমানিক ৫:১৫ মিনিটে রাজশাহী পৌঁছায়। নিচে ঢাকা থেকে রাজশাহীর পথে প্রতিটি স্টপেজ স্টেশনের নাম ও সময় টেবিল আকারে দেওয়া হলো:
| ক্রমিক | স্টেশনের নাম | আগমন সময় | প্রস্থান সময় |
|---|---|---|---|
| ১ | ঢাকা (কমলাপুর) | — | রাত ১০:৪৫ |
| ২ | বিমানবন্দর | রাত ১১:০৬ | রাত ১১:০৮ |
| ৩ | জয়দেবপুর | রাত ১১:৩৫ | রাত ১১:৩৭ |
| ৪ | টাঙ্গাইল (ঘারিন্দা) | রাত ০১:০৫ | রাত ০১:০৭ |
| ৫ | ইব্রাহীমাবাদ | রাত ০১:৫৮ | রাত ০২:০০ |
| ৬ | শহীদ এম. মনসুর আলী | রাত ০২:২৩ | রাত ০২:২৫ |
| ৭ | উল্লাপাড়া | রাত ০২:৪৮ | রাত ০২:৫০ |
| ৮ | বড়াল ব্রিজ | রাত ০৩:১৪ | রাত ০৩:১৬ |
| ৯ | চাটমোহর | রাত ০৩:৩৩ | রাত ০৩:৩৫ |
| ১০ | ঈশ্বরদী বাইপাস | রাত ০৩:৫৮ | রাত ০৪:০০ |
| ১১ | আবদুলপুর | রাত ০৪:১৩ | রাত ০৪:১৫ |
| ১২ | সারদাহ রোড | ভোর ০৪:৫৫ | ভোর ০৪:৫৭ |
| ১৩ | রাজশাহী | ভোর ০৫:১৫ | — |
৩. রাজশাহী থেকে ঢাকা — সময়সূচী ও স্টপেজ (ট্রেন নং ৭৬০)
রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেন নং ৭৬০ বিকেল ৪:০০ মিনিটে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন থেকে ছেড়ে যায় এবং রাত আনুমানিক ১০:৪৫ মিনিটে ঢাকার কমলাপুরে পৌঁছায়।
| ক্রমিক | স্টেশনের নাম | আগমন সময় | প্রস্থান সময় |
|---|---|---|---|
| ১ | রাজশাহী | — | বিকেল ০৪:০০ |
| ২ | সারদাহ রোড | বিকেল ০৪:২৩ | বিকেল ০৪:২৫ |
| ৩ | আবদুলপুর | বিকেল ০৫:০০ | বিকেল ০৫:০২ |
| ৪ | ঈশ্বরদী বাইপাস | বিকেল ০৫:১৩ | বিকেল ০৫:১৫ |
| ৫ | চাটমোহর | সন্ধ্যা ০৫:৩৫ | সন্ধ্যা ০৫:৩৭ |
| ৬ | বড়াল ব্রিজ | সন্ধ্যা ০৫:৫৮ | সন্ধ্যা ০৬:০০ |
| ৭ | উল্লাপাড়া | সন্ধ্যা ০৬:২৩ | সন্ধ্যা ০৬:২৫ |
| ৮ | শহীদ এম. মনসুর আলী | সন্ধ্যা ০৬:৪৮ | সন্ধ্যা ০৬:৫০ |
| ৯ | ইব্রাহীমাবাদ | রাত ০৭:১৫ | রাত ০৭:১৭ |
| ১০ | টাঙ্গাইল (ঘারিন্দা) | রাত ০৮:১০ | রাত ০৮:১২ |
| ১১ | জয়দেবপুর | রাত ০৯:৩৫ | রাত ০৯:৩৭ |
| ১২ | বিমানবন্দর | রাত ১০:০৫ | রাত ১০:০৭ |
| ১৩ | ঢাকা (কমলাপুর) | রাত ১০:৪৫ | — |
৪. পদ্মা এক্সপ্রেসের শ্রেণিভিত্তিক ভাড়ার তালিকা
পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনে বিভিন্ন শ্রেণির আসন ব্যবস্থা রয়েছে। যাত্রীরা তাদের বাজেট ও পছন্দ অনুযায়ী শোভন চেয়ার, স্নিগ্ধা বা এসি সিট বেছে নিতে পারেন। নিচে ঢাকা থেকে রাজশাহী পূর্ণ রুটের শ্রেণিভিত্তিক ভাড়া দেওয়া হলো:
| আসনের শ্রেণি | ভাড়া (টাকা) | সুবিধা |
|---|---|---|
| শোভন চেয়ার (S_CHAIR) | ৳ ৩৫৫ | সাধারণ আরামদায়ক চেয়ার, পাখা সহ |
| স্নিগ্ধা (SNIGDHA) | ৳ ৬৮০ | এসি চেয়ার, রিক্লাইনিং সিট |
| এসি সিট (AC_S) | ৳ ৮১০ | ফুল এসি, প্রশস্ত আসন, উন্নত সেবা |
৫. স্টেশনভিত্তিক ভাড়ার তালিকা (ঢাকা থেকে)
নিচে ঢাকা থেকে বিভিন্ন স্টেশনের শ্রেণিভিত্তিক টিকিটের আনুমানিক মূল্য দেওয়া হলো:
| গন্তব্য স্টেশন | শোভন চেয়ার | স্নিগ্ধা | এসি সিট |
|---|---|---|---|
| জয়দেবপুর | ৳ ৫৫ | ৳ ১০৫ | ৳ ১২৫ |
| টাঙ্গাইল | ৳ ১২০ | ৳ ২৩০ | ৳ ২৭৫ |
| উল্লাপাড়া | ৳ ২০০ | ৳ ৩৮৫ | ৳ ৪৬০ |
| চাটমোহর | ৳ ২৪০ | ৳ ৪৬০ | ৳ ৫৫০ |
| ঈশ্বরদী বাইপাস | ৳ ২৭০ | ৳ ৫১৫ | ৳ ৬১৫ |
| আবদুলপুর | ৳ ২৯৫ | ৳ ৫৬৫ | ৳ ৬৭৫ |
| রাজশাহী | ৳ ৩৫৫ | ৳ ৬৮০ | ৳ ৮১০ |
৬. ছুটির দিন ও বিশেষ তথ্য
পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধ রয়েছে প্রতি মঙ্গলবার। অর্থাৎ মঙ্গলবার এই ট্রেনটি চলাচল করে না। তাই ভ্রমণ পরিকল্পনার আগে অবশ্যই দিনটি মাথায় রাখুন। মঙ্গলবার ছাড়া সপ্তাহের বাকি ৬ দিন নিয়মিতভাবে ট্রেনটি উভয় দিকেই যাত্রা করে।
এছাড়া জাতীয় ছুটির দিনগুলোতে পদ্মা এক্সপ্রেসের বিশেষ সময়সূচি প্রযোজ্য হতে পারে। সরকারি উৎসব বা বিশেষ দিনে বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইট (railway.gov.bd) থেকে আপডেট জানুন।
৭. পদ্মা এক্সপ্রেসের টিকিট বুকিং পদ্ধতি
পদ্মা এক্সপ্রেসের টিকিট তিনটি পদ্ধতিতে সংগ্রহ করা যায়:
🖥️ অনলাইনে টিকিট বুকিং
বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট eticket.railway.gov.bd থেকে সরাসরি অনলাইনে টিকিট কেনা যায়। যাত্রার তারিখের সর্বোচ্চ ১০ দিন আগে থেকে অনলাইনে টিকিট বুকিং করা যায়। পেমেন্ট করা যায় বিকাশ, নগদ, রকেট, ডেবিট/ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে।
📱 মোবাইল অ্যাপ
বাংলাদেশ রেলওয়ের Rail Sheba অ্যাপ থেকেও সহজেই টিকিট বুক করা যায়। অ্যাপটি Google Play Store ও Apple App Store-এ পাওয়া যায়।
🏢 কাউন্টার থেকে টিকিট
ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন, বিমানবন্দর স্টেশনসহ রাজশাহীর স্টেশন কাউন্টার থেকে সরাসরি টিকিট কেনা যায়। যাত্রার দিন বা আগের দিন কাউন্টারে গিয়ে টিকিট সংগ্রহ করা যায়। তবে ঈদ ও পূজার সময় আগে থেকেই টিকিট বুক করে রাখা উচিত।
৮. পদ্মা এক্সপ্রেসের সুযোগ-সুবিধা
পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনে যাত্রীদের জন্য বেশ কিছু আধুনিক সুবিধা রয়েছে, যা দীর্ঘ ঢাকা-রাজশাহী যাত্রাকে আরামদায়ক করে তোলে:
- খাবার গাড়ি (Dining Car): ট্রেনে পৃথক খাবার গাড়ি রয়েছে। সেখানে বার্গার, স্যান্ডউইচ, রোল, চা, কফি, সিদ্ধ ডিম, ভাজা মুরগি, কাবাব, সিঙ্গারা, সমুচা ও বিভিন্ন পানীয় পাওয়া যায়।
- শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ (AC): স্নিগ্ধা ও এসি সিট শ্রেণিতে সম্পূর্ণ এয়ার কন্ডিশনড ব্যবস্থা রয়েছে।
- আধুনিক CRRC কোচ: চীন থেকে আমদানিকৃত আধুনিক কোচ ব্যবহার করা হয়, যা আগের তুলনায় অনেক বেশি নিরাপদ ও আরামদায়ক।
- পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা: কোচের ভেতরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার জন্য নিয়মিত পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োজিত থাকেন।
- নিরাপত্তা: প্রতিটি ট্রেনে রেলওয়ে পুলিশ নিয়মিত টহল দেয়, যা যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
- টয়লেট সুবিধা: প্রতিটি কোচে পরিষ্কার টয়লেটের ব্যবস্থা রয়েছে।
৯. পদ্মা এক্সপ্রেসে ভ্রমণের আগে জেনে রাখুন
পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনে ভ্রমণের সময় কিছু বিষয় মাথায় রাখলে আপনার যাত্রা আরও সুন্দর ও ঝামেলামুক্ত হবে:
- ✅ ট্রেন ছাড়ার কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগে স্টেশনে পৌঁছান।
- ✅ টিটি চেক করার পরেও টিকিট কাছে রাখুন — স্টেশন থেকে বের হতে লাগতে পারে।
- ✅ নিজের মালামাল নিজে সামলে রাখুন এবং কারো অপরিচিত মালামাল বহন করবেন না।
- ✅ রাতের ট্রেনে (ঢাকা থেকে) যাত্রা করলে বালিশ ও পাতলা চাদর সঙ্গে নিন।
- ✅ ঈদ ও পূজার মৌসুমে অন্তত ৭-১০ দিন আগে টিকিট সংগ্রহ করুন।
- ✅ ট্রেনে উঠার আগে টিকিটে আপনার আসন নম্বর ও কোচ নম্বর মিলিয়ে নিন।
- ✅ ট্রেনের খাবার কিছুটা ব্যয়বহুল হতে পারে, তাই বাড়ি থেকে হালকা খাবার নিয়ে নিন।
১০. প্রায় জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
❓ পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেন কোন দিন বন্ধ থাকে?
পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেন প্রতি মঙ্গলবার সাপ্তাহিক বন্ধ থাকে। বাকি ছয়দিন নিয়মিতভাবে চলাচল করে।
❓ পদ্মা এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে কখন ছাড়ে?
পদ্মা এক্সপ্রেস (ট্রেন নং ৭৫৯) ঢাকার কমলাপুর স্টেশন থেকে প্রতিদিন রাত ১০:৪৫ মিনিটে রাজশাহীর উদ্দেশে রওনা হয়।
❓ রাজশাহী থেকে পদ্মা এক্সপ্রেস কখন ছাড়ে?
রাজশাহী থেকে পদ্মা এক্সপ্রেস (ট্রেন নং ৭৬০) প্রতিদিন বিকেল ৪:০০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়।
❓ পদ্মা এক্সপ্রেসের টিকিটের দাম কত?
ঢাকা থেকে রাজশাহী সম্পূর্ণ রুটে শোভন চেয়ার ৩৫৫ টাকা, স্নিগ্ধা ৬৮০ টাকা এবং এসি সিট ৮১০ টাকা। মধ্যবর্তী স্টেশনের ভাড়া এর চেয়ে কম হবে।
❓ পদ্মা এক্সপ্রেস কত ঘণ্টায় ঢাকা থেকে রাজশাহী যায়?
ঢাকা থেকে রাজশাহী পর্যন্ত পদ্মা এক্সপ্রেস আনুমানিক ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা সময় নেয়। রাত ১০:৪৫ মিনিটে ছেড়ে ভোর ৫:১৫ মিনিটে রাজশাহী পৌঁছায়।
❓ পদ্মা এক্সপ্রেসে অনলাইনে টিকিট কাটা যায়?
হ্যাঁ। বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট eticket.railway.gov.bd থেকে সহজেই অনলাইনে টিকিট কাটা যায়। যাত্রার ১০ দিন আগে থেকে বুকিং শুরু করা যায়।
❓ পদ্মা এক্সপ্রেস কোন ট্র্যাকে চলে?
পদ্মা এক্সপ্রেস ব্রডগেজ ট্র্যাকে চলাচল করে।
❓ পদ্মা এক্সপ্রেসে খাবার পাওয়া যায়?
হ্যাঁ। ট্রেনে পৃথক খাবার গাড়ি রয়েছে যেখানে চা, কফি, নাস্তা ও হালকা খাবার পাওয়া যায়। তবে খাবারের মান ও মূল্য সম্পর্কে আগে থেকে জেনে নেওয়া ভালো।
❓ ট্রেনের টিকিট ছাড়া উঠলে কী হয়?
টিকিট ছাড়া ট্রেনে উঠলে ট্রেন পরিদর্শক (TT) জরিমানাসহ টিকিটের মূল্য আদায় করেন। এটি আইনত দণ্ডনীয় এবং যাত্রীকে অপদস্থ পরিস্থিতিতে পড়তে হতে পারে।
🔗 সম্পর্কিত পোস্ট — আরও পড়ুন
✍️ শেষকথা
পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেন শুধু একটি যানবাহন নয় — এটি ঢাকা ও রাজশাহীর লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনের সাথে জড়িত একটি বিশ্বস্ত সঙ্গী। শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে পর্যটক — সবার কাছেই এই ট্রেনটি নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী যাতায়াতের প্রতীক।
এই আর্টিকেলে আমরা পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়ার তালিকা ২০২৬ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরার চেষ্টা করেছি — সময়সূচী থেকে শুরু করে স্টপেজ, ভাড়া, টিকিট বুকিং এবং ভ্রমণ টিপস পর্যন্ত সব কিছুই। আশা করি এই তথ্যগুলো আপনার পরবর্তী ট্রেন ভ্রমণকে আরও সহজ, পরিকল্পিত ও আনন্দময় করে তুলবে।
মনে রাখবেন, ভ্রমণের আগে সর্বশেষ সময়সূচী ও ভাড়া বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে একবার যাচাই করে নেওয়া সবচেয়ে ভালো। নিরাপদ থাকুন, সুন্দর ভ্রমণ করুন এবং পদ্মার দুই পাড়ের অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করুন! 🌾
🚀 আরও ট্রেন তথ্য জানতে চান?
© ২০২৬ mamunskblog.com — সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

.webp)
💬 আপনার পদ্মা এক্সপ্রেস ভ্রমণের অভিজ্ঞতা কেমন ছিল? নিচের কমেন্ট বক্সে আমাদের জানান — আপনার মতামত আমাদের অনুপ্রেরণা! কোনো প্রশ্ন থাকলেও নির্দ্বিধায় জিজ্ঞেস করুন, আমরা উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবো। 🙏