পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়ার তালিকা-২০২৬

পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়ার তালিকা ২০২৬ — ঢাকা-রাজশাহী স্টপেজ, ভাড়া ও অনলাইন টিকিট গাইড।

পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেন এর ছবি

বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের সাথে রাজধানী ঢাকার রেল যোগাযোগে যে ট্রেনটির নাম সবার আগে মনে আসে, সেটি হলো পদ্মা এক্সপ্রেস। ঢাকা থেকে রাজশাহী এবং রাজশাহী থেকে ঢাকা — এই দুই গন্তব্যের মধ্যে দ্রুত, নিরাপদ ও আরামদায়ক যাত্রার জন্য পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেন লক্ষ লক্ষ যাত্রীর প্রথম পছন্দ। আপনি যদি এই ট্রেনে ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন এবং পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়ার তালিকা ২০২৬ সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য জানতে চান, তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্যই।

এই পোস্টে আমরা পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনের সর্বশেষ সময়সূচী, স্টপেজ স্টেশন তালিকা, শ্রেণিভিত্তিক ভাড়ার তালিকা, অনলাইনে টিকিট কাটার নিয়ম, ছুটির দিন এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিস্তারিতভাবে তুলে ধরবো। চলুন শুরু করা যাক।

📋 টেবিল অব কন্টেন্ট

  1. পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনের পরিচিতি
  2. ঢাকা থেকে রাজশাহী — সময়সূচী ও স্টপেজ
  3. রাজশাহী থেকে ঢাকা — সময়সূচী ও স্টপেজ
  4. শ্রেণিভিত্তিক ভাড়ার তালিকা
  5. ছুটির দিন ও বিশেষ তথ্য
  6. টিকিট বুকিং পদ্ধতি
  7. ট্রেনের সুযোগ-সুবিধা
  8. ভ্রমণকারীদের জন্য টিপস
  9. প্রায় জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
  10. সম্পর্কিত পোস্ট
  11. ডিসক্লেমার
  12. শেষকথা

১. পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনের পরিচিতি

পদ্মা এক্সপ্রেস (ট্রেন নং ৭৫৯/৭৬০) বাংলাদেশ রেলওয়ের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও বিলাসবহুল আন্তঃনগর ট্রেন। দীর্ঘ সময় ধরে এটি ঢাকা–রাজশাহী রুটে নির্ভরযোগ্য যাত্রীসেবা দিয়ে আসছে। রাজশাহী অঞ্চলের প্রধান নদী পদ্মার নামানুসারে এই ট্রেনটির নামকরণ করা হয়েছে। ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত প্রায় ৩৪৩ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে এই ট্রেনটি।

বর্তমানে ট্রেনটি ভারত থেকে আমদানিকৃত আধুনিক এলএইচবি (LHB) কোচ দিয়ে চলাচল করছে, যা এটিকে আগের তুলনায় অনেক বেশি আরামদায়ক ও নিরাপদ করে তুলেছে। এটি ব্রডগেজ লাইনে চলে এবং বনলতা এক্সপ্রেস, সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ও ধূমকেতু এক্সপ্রেসের সাথে রেক ভাগ করে নেয়।

বিষয় তথ্য
ট্রেন নম্বর ৭৫৯ (ঢাকা→রাজশাহী) / ৭৬০ (রাজশাহী→ঢাকা)
রুট ঢাকা ↔ রাজশাহী
শ্রেণি শোভন চেয়ার, স্নিগ্ধা, এসি সিট, এসি বার্থ
ট্র্যাক গেজ ব্রডগেজ
সাপ্তাহিক বন্ধ মঙ্গলবার

২. ঢাকা থেকে রাজশাহী — সময়সূচী ও স্টপেজ (ট্রেন নং ৭৫৯)

পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেন নং ৭৫৯ প্রতিদিন রাত ১০:৪৫ মিনিটে ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে রাজশাহীর উদ্দেশে রওনা হয় এবং পরদিন ভোর আনুমানিক ৪:০০ মিনিটে রাজশাহী পৌঁছায়। নিচে ঢাকা থেকে রাজশাহীর পথে প্রতিটি স্টপেজ স্টেশনের নাম ও সময় টেবিল আকারে দেওয়া হলো:

ক্রমিক স্টেশনের নাম আগমন সময় প্রস্থান সময়
ঢাকা (কমলাপুর)রাত ১০:৪৫
বিমানবন্দররাত ১১:০৬রাত ১১:০৮
জয়দেবপুররাত ১১:৩৫রাত ১১:৩৭
টাঙ্গাইল (ঘারিন্দা)রাত ০১:০৫রাত ০১:০৭
ইব্রাহীমাবাদরাত ০১:৫৮রাত ০২:০০
শহীদ এম. মনসুর আলীরাত ০২:২৩রাত ০২:২৫
উল্লাপাড়ারাত ০২:৪৮রাত ০২:৫০
বড়াল ব্রিজরাত ০৩:১৪রাত ০৩:১৬
চাটমোহররাত ০৩:৩৩রাত ০৩:৩৫
১০ঈশ্বরদী বাইপাসরাত ০৩:৫৮রাত ০৪:০০
১১আবদুলপুররাত ০৪:১৩রাত ০৪:১৫
১২সারদাহ রোডভোর ০৪:৫৫ভোর ০৪:৫৭
১৩রাজশাহীভোর ০৫:১৫

৩. রাজশাহী থেকে ঢাকা — সময়সূচী ও স্টপেজ (ট্রেন নং ৭৬০)

রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেন নং ৭৬০ বিকেল ৪:০০ মিনিটে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন থেকে ছেড়ে যায় এবং রাত আনুমানিক ৯:১৫ মিনিটে ঢাকার কমলাপুরে পৌঁছায়।

ক্রমিক স্টেশনের নাম আগমন সময় প্রস্থান সময়
রাজশাহীবিকেল ০৪:০০
সারদাহ রোডবিকেল ০৪:২৩বিকেল ০৪:২৫
আবদুলপুরবিকেল ০৫:০০বিকেল ০৫:০২
ঈশ্বরদী বাইপাসবিকেল ০৫:১৩বিকেল ০৫:১৫
চাটমোহরসন্ধ্যা ০৫:৩৫সন্ধ্যা ০৫:৩৭
বড়াল ব্রিজসন্ধ্যা ০৫:৫৮সন্ধ্যা ০৬:০০
উল্লাপাড়াসন্ধ্যা ০৬:২৩সন্ধ্যা ০৬:২৫
শহীদ এম. মনসুর আলীসন্ধ্যা ০৬:৪৮সন্ধ্যা ০৬:৫০
ইব্রাহীমাবাদরাত ০৭:১৫রাত ০৭:১৭
১০টাঙ্গাইল (ঘারিন্দা)রাত ০৮:১০রাত ০৮:১২
১১জয়দেবপুররাত ০৯:৩৫রাত ০৯:৩৭
১২বিমানবন্দররাত ১০:০৫রাত ১০:০৭
১৩ঢাকা (কমলাপুর)রাত ১০:৪৫

উভয় দিকেই পদ্মা এক্সপ্রেসের আনুমানিক ভ্রমণ সময় প্রায় ৫ ঘণ্টা ১৫ মিনিট। তবে আবহাওয়া, ক্রসিং বা পরিচালনাগত কারণে সময় কিছুটা কমবেশি হতে পারে।

৪. পদ্মা এক্সপ্রেসের শ্রেণিভিত্তিক ভাড়ার তালিকা

পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনে বিভিন্ন শ্রেণির আসন ব্যবস্থা রয়েছে। যাত্রীরা তাদের বাজেট ও পছন্দ অনুযায়ী শোভন চেয়ার, স্নিগ্ধা, এসি সিট বা এসি বার্থ বেছে নিতে পারেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে যমুনা রেল সেতু চালুর পর ঢাকা–রাজশাহী রুটের ভাড়া সংশোধিত হয়েছে। নিচে ঢাকা থেকে রাজশাহী পূর্ণ রুটের আনুমানিক ভাড়া (১৫% ভ্যাটসহ) দেওয়া হলো:

গন্তব্য স্টেশন শোভন চেয়ার স্নিগ্ধা এসি সিট
জয়দেবপুর৳ ৫৫৳ ১০৫৳ ১২৫
টাঙ্গাইল৳ ১২০৳ ২৩০৳ ২৭৫
উল্লাপাড়া৳ ২০০৳ ৩৮৫৳ ৪৬০
চাটমোহর৳ ২৪০৳ ৪৬০৳ ৫৫০
ঈশ্বরদী বাইপাস৳ ২৭০৳ ৫১৫৳ ৬১৫
আবদুলপুর৳ ২৯৫৳ ৫৬৫৳ ৬৭৫
রাজশাহী৳ ৪৫০৳ ৮৬৩৳ ১০৩৫

মধ্যবর্তী স্টেশনগুলোর (যেমন জয়দেবপুর, টাঙ্গাইল, উল্লাপাড়া, ঈশ্বরদী) ভাড়া দূরত্ব অনুযায়ী এর চেয়ে কম হয়। যেহেতু ভাড়া মাঝে মাঝে সংশোধিত হয়, তাই টিকিট কাটার আগে অবশ্যই eticket.railway.gov.bd-এ আপনার নির্দিষ্ট স্টেশনের সঠিক ভাড়া দেখে নিন।

৫. ছুটির দিন ও বিশেষ তথ্য

পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধ রয়েছে প্রতি মঙ্গলবার। অর্থাৎ মঙ্গলবার এই ট্রেনটি চলাচল করে না। তাই ভ্রমণ পরিকল্পনার আগে অবশ্যই দিনটি মাথায় রাখুন। মঙ্গলবার ছাড়া সপ্তাহের বাকি ৬ দিন নিয়মিতভাবে ট্রেনটি উভয় দিকেই যাত্রা করে।

এছাড়া ঈদ, পূজা বা জাতীয় ছুটির দিনগুলোতে পদ্মা এক্সপ্রেসের বিশেষ সময়সূচি প্রযোজ্য হতে পারে। সরকারি উৎসব বা বিশেষ দিনে বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইট (railway.gov.bd) থেকে আপডেট জেনে নিন।

৬. পদ্মা এক্সপ্রেসের টিকিট বুকিং পদ্ধতি

পদ্মা এক্সপ্রেসের টিকিট তিনটি পদ্ধতিতে সংগ্রহ করা যায়:

🖥️ অনলাইনে টিকিট বুকিং

বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট eticket.railway.gov.bd থেকে সরাসরি অনলাইনে টিকিট কেনা যায়। যাত্রার তারিখের সর্বোচ্চ ১০ দিন আগে থেকে অনলাইনে টিকিট বুকিং করা যায়। পেমেন্ট করা যায় বিকাশ, নগদ, রকেট ও ডেবিট/ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে।

📱 মোবাইল অ্যাপ

বাংলাদেশ রেলওয়ের Rail Sheba অ্যাপ থেকেও সহজেই টিকিট বুক করা যায়। অ্যাপটি Google Play Store ও Apple App Store-এ পাওয়া যায়।

🏢 কাউন্টার থেকে টিকিট

ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন, বিমানবন্দর স্টেশনসহ রাজশাহীর স্টেশন কাউন্টার থেকে সরাসরি টিকিট কেনা যায়। তবে ঈদ ও পূজার সময় আগে থেকেই টিকিট বুক করে রাখা উচিত।

📞 ট্রেনের অবস্থান জানতে: ঢাকা থেকে রাজশাহীগামী ট্রেনের জন্য TR 759 এবং রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী ট্রেনের জন্য TR 760 লিখে রবি, গ্রামীণফোন, বাংলালিংক বা টেলিটক থেকে 16318 নম্বরে SMS পাঠান।

৭. পদ্মা এক্সপ্রেসের সুযোগ-সুবিধা

পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনে যাত্রীদের জন্য বেশ কিছু আধুনিক সুবিধা রয়েছে, যা দীর্ঘ ঢাকা-রাজশাহী যাত্রাকে আরামদায়ক করে তোলে:

পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়ার তালিকা

  • খাবার গাড়ি (Dining Car): ট্রেনে পৃথক খাবার গাড়ি রয়েছে। সেখানে বার্গার, স্যান্ডউইচ, রোল, চা, কফি, সিদ্ধ ডিম, ভাজা মুরগি, কাবাব, সিঙ্গারা, সমুচা ও বিভিন্ন পানীয় পাওয়া যায়।
  • শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ (AC): স্নিগ্ধা, এসি সিট ও এসি বার্থ শ্রেণিতে সম্পূর্ণ এয়ার কন্ডিশনড ব্যবস্থা রয়েছে।
  • আধুনিক LHB কোচ: ভারত থেকে আমদানিকৃত আধুনিক এলএইচবি কোচ ব্যবহার করা হয়, যা আগের তুলনায় অনেক বেশি নিরাপদ ও আরামদায়ক।
  • পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা: কোচের ভেতরে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার জন্য নিয়মিত পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োজিত থাকেন।
  • নিরাপত্তা: প্রতিটি ট্রেনে রেলওয়ে পুলিশ নিয়মিত টহল দেয়, যা যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
  • টয়লেট সুবিধা: প্রতিটি কোচে পরিষ্কার টয়লেটের ব্যবস্থা রয়েছে।

৮. ভ্রমণকারীদের জন্য টিপস

পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনে ভ্রমণের সময় কিছু বিষয় মাথায় রাখলে আপনার যাত্রা আরও সুন্দর ও ঝামেলামুক্ত হবে:

  • ✅ ট্রেন ছাড়ার কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগে স্টেশনে পৌঁছান।
  • ✅ গন্তব্যে নামার পরেও টিকিট কাছে রাখুন — স্টেশন থেকে বের হতে লাগতে পারে।
  • ✅ নিজের মালামাল নিজে সামলে রাখুন এবং কারো অপরিচিত মালামাল বহন করবেন না।
  • ✅ রাতের ট্রেনে (ঢাকা থেকে) যাত্রা করলে বালিশ ও পাতলা চাদর সঙ্গে নিন।
  • ✅ ঈদ ও পূজার মৌসুমে অন্তত ৭-১০ দিন আগে টিকিট সংগ্রহ করুন।
  • ✅ ট্রেনে উঠার আগে টিকিটে আপনার আসন নম্বর ও কোচ নম্বর মিলিয়ে নিন।
  • ✅ ট্রেনের খাবার কিছুটা ব্যয়বহুল হতে পারে, তাই বাড়ি থেকে হালকা খাবার নিয়ে নিন।

৯. প্রায় জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

প্রশ্নঃ পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেন কোন দিন বন্ধ থাকে?

পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেন প্রতি মঙ্গলবার সাপ্তাহিক বন্ধ থাকে। বাকি ছয় দিন নিয়মিতভাবে চলাচল করে।

প্রশ্নঃ পদ্মা এক্সপ্রেস ঢাকা থেকে কখন ছাড়ে?

পদ্মা এক্সপ্রেস (ট্রেন নং ৭৫৯) ঢাকার কমলাপুর স্টেশন থেকে প্রতিদিন রাত ১০:৪৫ মিনিটে রাজশাহীর উদ্দেশে রওনা হয়।

প্রশ্নঃ রাজশাহী থেকে পদ্মা এক্সপ্রেস কখন ছাড়ে?

রাজশাহী থেকে পদ্মা এক্সপ্রেস (ট্রেন নং ৭৬০) প্রতিদিন বিকেল ৪:০০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়।

প্রশ্নঃ পদ্মা এক্সপ্রেসের টিকিটের দাম কত?

ঢাকা থেকে রাজশাহী সম্পূর্ণ রুটে আনুমানিক ভাড়া — শোভন চেয়ার ৳৪০৫, স্নিগ্ধা ৳৭৭১, এসি সিট ৳৯২৫ (আনুমানিক) এবং এসি বার্থ ৳১,৩৮৬। মধ্যবর্তী স্টেশনের ভাড়া এর চেয়ে কম হবে। সর্বশেষ ভাড়া eticket.railway.gov.bd-এ যাচাই করুন।

প্রশ্নঃ পদ্মা এক্সপ্রেস কত ঘণ্টায় ঢাকা থেকে রাজশাহী যায়?

ঢাকা থেকে রাজশাহী পর্যন্ত পদ্মা এক্সপ্রেস আনুমানিক ৫ ঘণ্টা ১৫ মিনিট সময় নেয়। রাত ১০:৪৫ মিনিটে ছেড়ে ভোর ৪:০০ মিনিটে রাজশাহী পৌঁছায়।

প্রশ্নঃ পদ্মা এক্সপ্রেসে অনলাইনে টিকিট কাটা যায়?

হ্যাঁ। বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট eticket.railway.gov.bd থেকে সহজেই অনলাইনে টিকিট কাটা যায়। যাত্রার ১০ দিন আগে থেকে বুকিং শুরু করা যায়।

প্রশ্নঃ পদ্মা এক্সপ্রেস কোন কোচে চলে?

পদ্মা এক্সপ্রেস বর্তমানে ভারত থেকে আমদানিকৃত আধুনিক এলএইচবি (LHB) কোচে ব্রডগেজ ট্র্যাকে চলাচল করে।

প্রশ্নঃ পদ্মা এক্সপ্রেসে খাবার পাওয়া যায়?

হ্যাঁ। ট্রেনে পৃথক খাবার গাড়ি রয়েছে যেখানে চা, কফি, নাস্তা ও হালকা খাবার পাওয়া যায়। তবে খাবারের মান ও মূল্য সম্পর্কে আগে থেকে জেনে নেওয়া ভালো।

প্রশ্নঃ টিকিট ছাড়া ট্রেনে উঠলে কী হয়?

টিকিট ছাড়া ট্রেনে উঠলে ট্রেন পরিদর্শক (TT) জরিমানাসহ টিকিটের মূল্য আদায় করেন। এটি আইনত দণ্ডনীয় এবং যাত্রীকে বিব্রত পরিস্থিতিতে পড়তে হতে পারে।

🚆 ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া

🎫 ভ্রমণ ও যাত্রা গাইড

🏠 সকল পোস্ট দেখুন — MamunSkblog

⚠️ ১১. ডিসক্লেমার

এই পোস্টে দেওয়া পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়ার তথ্য বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে সংগ্রহ করে যথাসম্ভব সঠিকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তবে বাংলাদেশ রেলওয়ের সময়সূচী ও ভাড়া সময়ে সময়ে পরিবর্তিত হতে পারে এবং বিশেষ দিনে ভিন্ন হতে পারে। তাই টিকিট কাটা বা ভ্রমণের আগে অবশ্যই বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট eticket.railway.gov.bd অথবা railway.gov.bd থেকে সর্বশেষ তথ্য যাচাই করে নিন। কোনো তথ্যগত অসঙ্গতির জন্য MamunSkblog দায়ী থাকবে না।

✍️ ১২. শেষকথা

পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেন শুধু একটি যানবাহন নয় — এটি ঢাকা ও রাজশাহীর লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনের সাথে জড়িত একটি বিশ্বস্ত সঙ্গী। শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে পর্যটক — সবার কাছেই এই ট্রেনটি নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী যাতায়াতের প্রতীক।

এই আর্টিকেলে আমরা পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়ার তালিকা ২০২৬ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরার চেষ্টা করেছি — সময়সূচী থেকে শুরু করে স্টপেজ, ভাড়া, টিকিট বুকিং এবং ভ্রমণ টিপস পর্যন্ত সব কিছুই। আশা করি এই তথ্যগুলো আপনার পরবর্তী ট্রেন ভ্রমণকে আরও সহজ, পরিকল্পিত ও আনন্দময় করে তুলবে।

মনে রাখবেন, ভ্রমণের আগে সর্বশেষ সময়সূচী ও ভাড়া বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে একবার যাচাই করে নেওয়া সবচেয়ে ভালো। নিরাপদ থাকুন, সুন্দর ভ্রমণ করুন এবং পদ্মার দুই পাড়ের অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করুন! 🌾

📢 এই তথ্যগুলো কাজে লেগেছে?

বন্ধু ও পরিবারের সাথে শেয়ার করুন, যেন তারাও উপকৃত হন।

💬 আপনার পদ্মা এক্সপ্রেস ভ্রমণের অভিজ্ঞতা কেমন ছিল? নিচের কমেন্ট বক্সে আমাদের জানান — আপনার মতামত আমাদের অনুপ্রেরণা! কোনো প্রশ্ন থাকলেও নির্দ্বিধায় জিজ্ঞেস করুন। 🙏

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

mamunskblog.com-এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url